গাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ঘটনায় ভুল ব্যাখ্যার অভিযোগ :
খুলনায় একটি গাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে, যা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।
জানা যায়,নগরীর নিরালা এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহ নেওয়াজ মাকদুম মজিদ সরণীতে (শিববাড়ি) অবস্থিত ড্রিম কার খুলনা/মেসার্স মামুন এন্টারপ্রাইজ শোরুমে গাড়ি কিনতে গেলে শোরুম কর্তৃপক্ষ কয়েকটি গাড়ি দেখান। পাশাপাশি মোংলা পোর্টে থাকা আরও কয়েকটি গাড়ির ছবি প্রদর্শন করা হয়। পরে একটি গাড়ি পছন্দ হলে সেটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। “গাড়িটির বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী—ব্র্যান্ড: টয়োটা
মডেল: নোয়া-২০২২
সিসি: ১৮০০
চ্যাসিস নং: ZWR90-8002464
ইঞ্জিন নং: 2RR-2R36031
ভুক্তভোগী শাহ নেওয়াজ মাকদুম জানান, গত ১৬ মে তিনি শোরুম মালিক মামুনের কথা অনুযায়ী মোংলা পোর্টে গিয়ে গাড়িটি সরেজমিনে দেখেন। গাড়ি পছন্দ হওয়ার পর শোরুম মালিক তাকে পরদিন অগ্রিম টাকা দিতে বলেন। পরে ১৭ মে তিনি ১ লাখ টাকা অগ্রিম প্রদান করেন এবং ম্যানি রিসিভ গ্রহণ করেন। শোরুম মালিক আশ্বাস দেন, পরদিনই গাড়ি ডেলিভারি দেওয়া হবে।কিন্তু ১৮মে গাড়ি নিতে গেলে তিনি জানতে পারেন, অধিক দাম পাওয়ায় গাড়িটি অন্য এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এতে হতবাক হয়ে পড়েন শাহ নেওয়াজ মাকদুম। অভিযোগ রয়েছে, কথোপকথনে তিনি গাড়িটি অন্যত্র বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন এবং নিজের ভুলও মেনে নেন।পরে গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে মানে রিসিভ জমা দিয়ে তিনি টাকা ফেরত নিয়ে যান। এ সময় শোরুম মালিক মামুনের সঙ্গে উপস্থিত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসেনের ফোনে কথা হয়,জাহাঙ্গীর শোরুম মালিক মামুনের বন্ধু এবং এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য মামুন দুঃখ প্রকাশ করেন। পুরো ঘটনায় কোনো ধরনের হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়নি। সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন, একটি দুষ্টুচক্র ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সামাজিকভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে কোনো সাংবাদিক বা ব্যক্তি বিশেষ ব্যক্তিগতভাবে কোনো বেফাঁস মন্তব্য করে থাকলে তার দায়ভার সকলের ওপর বর্তায় না বলেও মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ভাষ্য, ব্যক্তিগত মতামতকে একটি সংগঠন বা পেশাজীবী সমাজের অবস্থান হিসেবে দেখানো অনুচিত।


